|

Advertisement
×

মুখোশধারীরা আন্দোলনে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬   প্রিন্ট   ১২ বার পঠিত

মুখোশধারীরা আন্দোলনে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পোশাকশিল্প খাতে সাম্প্রতিক আন্দোলনের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে সেখানে সাধারণ শ্রমিক কিংবা শ্রমিকনেতাদের কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, কিছু মুখোশধারী ব্যক্তি আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে এবং বিকেলে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তিনি।

ভিডিও ফুটেজের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনের আন্দোলনের ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে শ্রমিক ও শ্রমিকনেতাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মুখোশধারী ব্যক্তিরা আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করেছে। তারা দাবি আদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, এমনকি শ্রমিকও নয়। তারাই সড়কে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে।

তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

পরিস্থিতির শিকার নিরীহ শ্রমিকদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ঘটনায় যেসব সাধারণ শ্রমিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন, সরকার তাঁদের বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় দেখবে। পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের সুচিকিৎসার জন্যও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন হয়েছে। এবার আপনারা শিল্পে ফিরে যান, ঘরে ফিরে যান, উৎপাদনে ফিরে যান, কর্মস্থলে ফিরে যান। আপনাদের পক্ষ হয়ে এখন শ্রমিকনেতারা মজুরি বোর্ডের সভায় কথা বলবেন।’

তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও যারা ইচ্ছাকৃতভাবে সড়ক অবরোধ করে রাখছে, তারা কোনোভাবেই শ্রমিকদের বন্ধু হতে পারে না।

সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত গার্মেন্টস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মজুরি বোর্ডের সদস্য বাবুল আখতার বলেন, এবারের আন্দোলনে বহিরাগতরা কারখানায় ঢুকে জোর করে ছুটি দিতে বাধ্য করেছে। বিভিন্ন সময়ে উচ্ছেদ হওয়া হকার, রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং যাঁদের বকেয়া পাওনা ছিল, তাঁরাও এতে যুক্ত হয়েছেন।

শ্রমিকদের সতর্ক করে বাবুল আখতার বলেন, ‘কারও উসকানিতে শিল্পের ক্ষতি হয়, এমন কোনো কাজ করবেন না।’

তিনি বলেন, কেউ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৭ হাজার টাকা, কেউ ৩০ হাজার, কেউ ৩২ হাজার আবার কেউ ৩৭ হাজার টাকা করার দাবি জানাচ্ছেন। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বসে একটি প্রস্তাব চূড়ান্ত করে মজুরি বোর্ডের প্রথম সভায় তা তুলে ধরবেন।

একই সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আকতারও শ্রমিকদের দ্রুত কাজে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমিকনেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ০৭:৫০ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com